মাদ্রাসায় ক‌মি‌টির নি‌য়োগ দুর্নী‌তি কি জাতের নামে বজ্জাতি নয়?

এইচ.ইউ.ফারুক,টাইমস্ বাংলা: আমাদের দেশের সংবিধান নাগরিকদের যে সকল অধিকার প্রদান করেছে,পৃথিবীর কোন দেশে মনেহয় এইরূপ অধিকার স্বীকৃত নেই।তাই শুধু অধিকার ভোগ করলেই হবে না দেশের প্রতি আমাদের যথা যথ দায়িত্ব ও পালন করতে হবে।সংবিধানের ৩০নম্বর ধারাকে সামনে রেখে পশ্চিম বঙ্গের সরকারি অনুমোদন ও অনুদান প্রাপ্ত মাদ্রাসা পরিচালন সমিতি নিয়োগ ক্ষমতা পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।ইতিমধ্যে মাদ্রাসা পরিচালন সমিতি নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির যে খবর সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা রীতিমত উদ্বেগ জনক।এর মধ্যে পূর্ব মেদিনী পুরের গড় চক্রবেড়িয়া জুনিয়র হাই মাদ্রাসার পরিচালন সমিতির দূর্নীতি অন্যতম।দিনদর্পন,গণশক্তি সহ অন্যান্য গণমাধ্যমে এই দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হয়েছে।এই মাদ্রাসার পরিচালন সমিতির সভাপতি রাজ্যের সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রদ্ধেয় ইন্তাজ আলি শাহ মহাশয়।সম্পাদক তাঁরই পুত্র আসিফ ইকবাল শাহ,সহ সভাপতি ও তাঁরই ভাই মোজাম্মেল শাহ।এই মাদ্রাসায় ছয় জন নিয়োগ হয়েছে তাঁরা প্রত্যেকেই ইন্তাজ সাহেবের নিকট আত্মীয় ও ঘনিষ্ট।এখানেই শেষ নয় সরকারি আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে পিতা পুত্রের নামে মাদ্রাসার ব্যাঙ্ক একাউন্ট চলছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সংখ্যালঘু তকমা নিয়ে যে মাদ্রাসা পরিচালন সমিতি নিয়োগ ক্ষমতা চায়ছে তাদের উদ্দেশ্য নাকি মুসলমানদের উন্নতি করা,মাদ্রাসায় মুসলিমদের নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া ইত্যাদি।খুব ভালো উদ্যোগ সাধুবাদ জানাতেই হয়।কিন্তু এই নিয়োগ নিয়ে লাগাম ছাড়া দুর্নীতির প্রতিযোগিতা চলছে কেন?২০০৮ সাল থেকে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হয়ে আসছিল তখন কিন্তু এই ধরণের লাগাম ছাড়া দুর্নীতির খবর পাওয়া যায় নি।তবে কি মুসলিম সমাজের নেতাগণ মুসলিম ভাবাবেগ নিয়ে, জাতধর্মকে ঢাল করে ব্যবসা করতে নিজ নিজ ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করতে চাইছেন?তারা কি জাতের নামে বজ্জাতি করছেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *